Tuesday, July 8, 2025

জমি রেজিস্ট্রির সময় দলিলে যা বারবার চেক করবেন.....

 জমি রেজিস্ট্রির সময় দলিলে যা বারবার চেক করবেন.....

সাধারণত একজন দলিল লেখক দিনে ৮/১০ টা বা কেউ কেউ আরো বেশি দলিল লেখে। ফলে তাদের দ্বারা দলিল লিখার সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল হয়ে যেতে পারে। আবার একজন সাব-রেজিস্ট্রার দৈনিক ৭০/৮০ টি দলিল রেজিস্ট্রি করেন। এতো সেবাগ্রহীতার চাপ থাকে যে প্রতিটি দলিল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা সম্ভব হয়না। জমির ক্রেতা হিসেবে আপনার দায়িত্ব হলো দলিলে সাক্ষর করার আগে দলিলটি নির্ভুলভাবে লেখা হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে নিম্নের বিষয়গুলো ভালোভাবে খেয়াল করা...... ১) জমির এসএ এবং আরএস দাগ অঙ্কে ও কথায় মিলিয়ে নেবেন। নকশার সাথে দাগ নম্বর মিলাবেন। দলিলের ১১ নম্বর কলামে খতিয়ান নম্বর ও হোল্ডিং নম্বর বারবার মিলান। ২) দাগের কোন দিকে আপনার ক্রয়কৃত জমির পজিশন সেটা দলিলের ১৫ নম্বর কলামে হাত নকশায় ভালোভাবে লক্ষ্য করবেন। ৩) মৌজার নাম, জেএল নম্বর এবং জমির পরিমাণ কথায় এবং অংকে লেখা ঠিক আছে কিনা তা দলিলের ২ নম্বর কলামে ভালোমতো খেয়াল করবেন। ৪) সম্পত্তির চৌহদ্দি সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কিনা তা ১২ নম্বর কলামে দেখে নিবেন। ৫) বিক্রেতার তার প্রাপ্য হিস্যার চেয়ে বেশি জমি দিচ্ছেন কিনা তা যাচাই করবেন। একাধিক ক্রেতা বা বিক্রিতা হলে কার কতটুকু অংশ তা নির্দিষ্ট করা আছে তা দলিলের ৮ ও ৯ নং কলামে ঠিকমতো লেখা আছ কিনা লক্ষ্য করবেন। ৬) দলিলে কোনো মামলার ডিক্রির তথ্য সংযোজন প্রয়োজন হলে দলিলের ৭ নম্বর কলামে বিজ্ঞ আদালতের নাম ও মামলা নম্বর নির্ভূলভাবে লিখেছে কিনা খেয়াল করবেন। এছাড়া জমির সর্বশেষ জরিপ হতে ২৫ বছরের মালিকানার ধারাবাহিক বিবরণ ঠিকমতো লেখা হয়েছে কিনা খেয়াল করবেন। মনে রাখবেন দলিলে মেজর ভুল হয়ে গেলে তা আদালত ছাড়া সংশোধন করা যায়না। একটা দলিলের মেজর ভুল ঠিক করতে বছরের পর বছর আদালত চত্বরে ঘুরতে হবে। তাই নির্ভুল দলিল পেতে রেজিষ্ট্রেশনের আগে উপরের বিষয়গুলো ভালোমতো খেয়াল করুন। সবাইকে ধন্যবাদ।

একই জমি দুই জায়গায় বিক্রয় করলে ক্রেতার করণীয়

একই জমি দুই জায়গায় বিক্রয় করলে ক্রেতার করণীয়।
 বিক্রেতার জমির পরিমাণ টোটাল ছিল ১৩ শতাংশ 
 প্রথমে একজনার কাছে 6 শতাংশ বিক্রয় করেছে |
 পরে আবার মোট 13 শতক জমি আর একজনের কাছে বিক্রয় করেছে | এখন জমি কে পাবে ক্রেতাদের করণীয় |
মোট জমি ১৩ শতাংশ মোট জমি থেকে প্রথম দলিল গ্রহীতা ছয় শতাংশ জমি বুঝে নিবেন | এরপর অবশিষ্ট ৭ শতাংশ জমি পরবর্তী দলিলকৃত মালিক পাবেন  | দ্বিতীয় যে পক্ষ পরে জমি ক্রয় করেছে তাকে আদালতে একটি মামলা দায়ের করতে হবে প্রতারণার মামলা  তখন আদালত জমি বিক্রেতা  তলপ করবে এবং অন্যত্র অবশিষ্ট জমি দেয়ার জন্য বাধ্য করবে অথবা যদি অন্যত্তরে জমির না থাকে তাহলে বর্তমান বাজার মূল্য অনুযায়ী ক্রেতাকে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে |

Monday, June 16, 2025

'রক্তকরবী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপক-সাংকেতিক নাটক

 

'রক্তকরবী'-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপক-সাংকেতিক নাটক। মানুষের প্রবল লোভ কীভাবে জীবনের সমস্ত সৌন্দর্য স্বাভাবিকতাকে অস্বীকার করে মানুষকে নিছক যন্ত্রে উৎপাদনের উপকরণে পরিণত করেছে এবং তার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদ কী রূপ ধারণ করছে তারই রূপায়ণ এই নাটকে। নাটকটি বাংলা ১৩৩০ সনে রচনা করেছেন রবীন্দ্রনাথ। ১৩৩১ সনে প্রবাসীতে প্রকাশিত হয় নাটকটি।

রক্তকরবীর সংক্ষিপ্ত কাহিনি- যক্ষপুরীর রাজার রাজধর্ম প্রজাশোষণ; তার অর্থলোভ দুর্দম। তার সে লোভের আগুনে পুড়ে মরে সোনার খনির শ্রমিকরা। রাজার দৃষ্টিতে খনি শ্রমিকরা মানুষ নয়, তারা স্বর্ণলাভের যন্ত্রমাত্র, তারা যন্ত্রকাঠামোর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র্র অঙ্গ মাত্র, মানুষ হিসেবে তাদের কোনো মূল্য নেই। এখানে মনুষ্যত্ব, মানবতা যন্ত্রবন্ধনে পীড়িত অবমাননায় পতিত। জীবনের প্রকাশ যক্ষপুরীতে নেই। জীবনের প্রকাশের সম্পূর্ণরূপ-প্রেম সৌন্দর্য, 'নন্দিনী' চরিত্রটি তার প্রতীক। নন্দিনীর আনন্দস্পর্শ যক্ষপুরীর রাজা পাননি তার লোভের মোহে, সন্ন্যাসী পাননি তার ধর্মসংস্কারের মোহে, মজুররা পাননি অত্যাচার অবিচারের লোহার শিকলে বাঁধা পড়ে, পণ্ডিত পাননি দাসত্বের মোহে। যক্ষপুরীর লোহার জালের বাইরে প্রেম সৌন্দর্যের প্রতীক নন্দিনী সবাইকে হাতছানি দিয়ে ডাকল; এক মুহূর্তে মুক্ত জীবনানন্দের স্পর্শে যেন সবাই চঞ্চল হয়ে উঠল। রাজা নন্দিনীকে পেতে চাইলেন যেমন করে তিনি সোনা আহরণ করেন, শক্তির বলে কেড়ে নিয়ে। কিন্তু প্রেম সৌন্দর্যকে এভাবে লাভ করা যায় না। তাই রাজা নন্দিনীকে পেয়েও পাননি। একইভাবে মোড়ল, পণ্ডিত, কিশোর, কেনারাম সবাই প্রাণপ্রাচুর্যের মধ্যে বাঁচার জন্য ব্যাকুল হয়ে জালের বাইরের দিকে হাত বাড়াল। কিন্তু নন্দিনী রঞ্জনকে ভালোবাসে তাই তার মধ্যে প্রেম জাগিয়ে তুলেছে। কিন্তু রঞ্জন যক্ষের বন্ধনে বাঁধা। যন্ত্র তার প্রেমকে জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিল- এটাই যান্ত্রিকতার ধর্ম এবং কবি তা বিশ্বাস করেন। নন্দিনীর প্রেমাস্পদ যান্ত্রিকতার যূপকাষ্ঠে নিঃশেষিত হলো এবং আবার যেন প্রেমকে ফিরে পাওয়া যায় সে লক্ষ্যে জীবন জয়ী হলো। এই দৃষ্টিভঙ্গি রবীন্দ্রনাথের বহু কবিতায়, গানে, নাটকে, গল্পে পরিস্ম্ফুট হয়েছে। কবি রক্তকরবী নাটকটিতে জড় যান্ত্রিকতা জীবনধর্মের মধ্যে সেই সামঞ্জস্য সন্ধান করেছেন।

Sunday, June 15, 2025

ইউক্যালিপটাস গাছ 'সাক্ষাত রাক্ষস'

ইউক্যালিপটাস গাছকে 'সাক্ষাত রাক্ষস' বলা হয়, কারণ এটি পরিবেশের জন্য বেশ ক্ষতিকর। এটি দ্রুত পানি শোষণ করে এবং মাটির উর্বরতা হ্রাস করে, এছাড়াও এর পাতা থেকে টক্সিন নিঃসরণের ফলে আশেপাশের গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। 
ইউক্যালিপটাস গাছ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
পানি শোষণ:
ইউক্যালিপটাস গাছ দ্রুত পানি শোষণ করে এবং পরিবেশে ছেড়ে দেয়, যার কারণে মাটির আর্দ্রতা কমে যায় এবং অন্যান্য গাছের জন্য পানির অভাব দেখা দেয়। 
মাটির উর্বরতা হ্রাস:
এই গাছের পাতা সহজে পচে না এবং মাটিতে মিশে যেতেও অনেক সময় লাগে। এতে মাটির উর্বরতা কমে যায় এবং অন্যান্য গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। 
বিষাক্ত উপাদান:
ইউক্যালিপটাস গাছের পাতায় এমন কিছু উপাদান থাকে যা অন্যান্য গাছের জন্য ক্ষতিকর। এই উপাদানগুলো মাটির সংস্পর্শে আসলে আশেপাশের গাছের বৃদ্ধি কমে যায়। 
শ্বাসকষ্টের কারণ:
কিছু ক্ষেত্রে ইউক্যালিপটাস গাছের ফুলের রেণু বাতাসে মিশে মানুষের শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে। 
অগ্নিকাণ্ডের কারণ:
ইউক্যালিপটাস গাছ সহজে আগুন ধরে যায়, যা পরিবেশের জন্য আরও একটি বড় বিপদ। 
এই কারণে, ইউক্যালিপটাস গাছকে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং 'সাক্ষাত রাক্ষস' হিসেবে গণ্য করা হয়। 

Wednesday, May 21, 2025

“মেধার অপমান: বিসিএস পরীক্ষায় দুর্নীতির কালো ছায়া”

বিসিএস (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস) পরীক্ষা দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এবং প্রতিযোগিতামূলক সরকারি চাকরির পরীক্ষা। এটি যুবসমাজের স্বপ্নপূরণের অন্যতম মাধ্যম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিসিএস পরীক্ষায় দুর্নীতি, প্রশ্ন ফাঁস, প্রভাব খাটানো ও অবৈধ সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের মতো অভিযোগ বারবার উঠছে।

এই ধরনের দুর্নীতি একদিকে যেমন মেধাবী ও প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীদের ন্যায্য সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে, অন্যদিকে তা প্রশাসনের ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস, অবৈধ লেনদেন, এবং রাজনৈতিক বা প্রভাবশালীদের সুপারিশ এই দুর্নীতির অন্যতম রূপ।

বিসিএস পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে কঠোর আইন প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা, ডিজিটাল প্রশ্ন ব্যবস্থাপনা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী শক্ত অবস্থান এবং সামাজিক সচেতনতাও জরুরি।

একটি ন্যায়ভিত্তিক প্রশাসন গড়তে হলে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত, দক্ষ ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন কর্মকর্তা নিয়োগ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

Wednesday, May 7, 2025

দুধ কেনার আগে সাবধান হন

 এতসব সবাই বোঝে না,,, বুঝে কিনুন,,,

এখন ৩ ক্যাটাগরির তরল দুধ পাওয়া যায়,

১। পাস্তরিত দুধ (১০০% গুনাগুন) 

২। পাস্তরিত স্ট্যান্ডার্ড  দুধ (৭০%গুনাগুন)

৩। টোনড দুধ (৫০% গুনাগুন)

গুনাগুন যত কম দোকানদারের লাভ ততবেশি আর এটা মাথায় রেখেই এতো ভ্যারিয়েন্ট আনা হয়েছে.

Wednesday, April 23, 2025

বিয়ের আগে হবু বর-বউ এর যেসকল কথা জানা জরুরী

 এই চেকলিস্টটি হবু বর ও বউয়ের মধ্যে খোলামেলা, সম্মানজনক এবং প্রয়োজনীয় আলাপ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

১. জীবন নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা (ক্যারিয়ার, পড়াশোনা, সংসার)

২. ধর্মীয় বিশ্বাস ও পারিবারিক মূল্যবোধ

৩. বিয়ের পর কোথায় বসবাস করবেন (যৌথ না আলাদা পরিবারে)

৪. পরিবারের সদস্যদের সাথে সম্পর্কের ধরন

৫. সংসারের খরচ ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা

৬. চাকরি করার বিষয়ে মেয়ের স্বাধীনতা

৭. সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা ও দায়িত্ব ভাগাভাগি

৮. ঝগড়া বা মতভেদ হলে সমাধানের কৌশল

৯. ব্যক্তিগত সময় ও গোপনীয়তা সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি

১০. বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ ও মেলামেশা নিয়ে মতামত

১১. ভ্রমণপ্রিয়তা ও পছন্দের জায়গা

১২. খাওয়া-দাওয়া, রুচি ও স্বাস্থ্য সচেতনতা

১৩. পরিবারের বাইরে বিনোদনের ধরন (সিনেমা, বই, ঘোরাঘুরি)

১৪. সঞ্চয় ও বিনিয়োগ নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি

১৫. দায়িত্ববোধ ও কাজ ভাগাভাগির চিন্তা

১৬. সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অপরের উপস্থিতি ও সীমা

১৭. দাম্পত্য জীবনে সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশের ধরন

১৮. উৎসব-অনুষ্ঠান, গিফট দেওয়া বা উদযাপন নিয়ে মতামত

১৯. অতীত সম্পর্ক বা সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলাপ

২০. প্রয়োজনে কাউন্সেলিং বা থেরাপি নেওয়ার বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি

Job Books

 জব বুক পাওয়ার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন। 👉👉👉👉👉👉  ভ্রাইভ লিংক জব বুক পিডিএফ 👈👈👈👈👈👈 আপনার মোবাইলে বা পিসিতে সহজেই এক্সেস পেতে স...