এই লিংকে ক্লিক করুন, ফ্রি তে পেয়ে যান হাজারো বই।
********Link********
স্বামী মৌখিক বা লিখিতভাবে তালাক দিতে পারেন।
এরপর ৯০ দিন ইদ্দতকাল।
৯০ দিনের মধ্যে মিলন না হলে তালাক কার্যকর।
যদি স্বামী তালাক না দেন, নারী চাইলে খোলা নিতে পারেন।
খোলার শর্ত:
স্ত্রী মহর বা এর অংশ ফেরত দিতে রাজি থাকেন।
স্বামী সম্মত হলে খোলা সম্পন্ন হয়।
প্রক্রিয়া:
পারিবারিকভাবে বা কাজী অফিসে খোলা
ইদ্দতকাল পালন (সাধারণত ১ হায়েজ বা ৩ মাস)
যদি স্বামী—
অত্যাচার করেন
ভরণপোষণ না দেন
দীর্ঘদিন নিখোঁজ
যৌন অক্ষম / গুরুতর রোগ
তাহলে নারী Family Court-এ মামলা করে বিবাহবিচ্ছেদ চাইতে পারেন।
| অবস্থা | ইদ্দত |
|---|---|
| সাধারণ তালাক | ৩ মাস |
| মাসিক হয় | ৩ হায়েজ |
| গর্ভবতী | সন্তান জন্ম পর্যন্ত |
| স্বামী মৃত্যু | ৪ মাস ১০ দিন |
👉 ইদ্দত শেষ না হলে বিয়ে করা হারাম ও অবৈধ।
✅ নতুন করে বিয়ে করতে পারবেন
✅ নিজের পছন্দে বিয়ে বৈধ
❌ ইদ্দতের সময় কোনো বিয়ে নয়
তালাকনামা / ডিভোর্স ডিক্রি
কাজী অফিসে রেজিস্ট্রেশন
ইদ্দত শেষের সময় গণনা
জাতীয় পরিচয়পত্র
স্বামী থাকা অবস্থায় নারীর দ্বিতীয় বিয়ে ❌ হারাম ও অবৈধ
তালাক + ইদ্দত শেষ হলে ✅ বৈধ
জোর করে রাখা হলে আদালতের সহায়তা নেওয়া যায়
স্বামী থাকা অবস্থায় কোনো নারী দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবেন না।
ইসলামে একই সময়ে একজন নারীর একাধিক স্বামী থাকা সম্পূর্ণ হারাম।
নারী দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবেন শুধু তখনই, যখন—
স্বামী মারা গেছেন, অথবা
স্বামীর সাথে তালাক সম্পন্ন হয়েছে এবং
ইদ্দত শেষ হয়েছে।
“তোমাদের জন্য বিবাহিত নারী হারাম…”
(সূরা নিসা: ২৪)
অর্থাৎ, যে নারী ইতিমধ্যে বিবাহিত, তিনি অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারেন না।
স্বামী জীবিত থাকা অবস্থায় এবং তালাক ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে
👉 সেই বিয়ে আইনগতভাবে অবৈধ
👉 এবং তা শাস্তিযোগ্য অপরাধও হতে পারে।
| অবস্থা | দ্বিতীয় বিয়ে |
|---|---|
| স্বামী জীবিত, তালাক হয়নি | ❌ হারাম / অবৈধ |
| তালাক হয়েছে + ইদ্দত শেষ | ✅ বৈধ |
| স্বামী মারা গেছেন + ইদ্দত শেষ | ✅ বৈধ |
সংক্ষেপে বললে—স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে লজ্জাস্থানে মুখ দেওয়া (oral sex) বিষয়ে ইসলামী ফিকহে একমত মত নেই, তবে সাধারণভাবে কথা বলা যায় এভাবে:
✔️ জায়েয বলার মতামত (অধিকাংশ আলেম):
স্বামী-স্ত্রী হলে এবং
কোনো হারাম জিনিস (যেমন নাপাকি/নজাসত) মুখে না নেয়,
একে অপরের ক্ষতি না হয়,
গোপনীয়তা ও শালীনতা বজায় থাকে—
তাহলে নিষেধাজ্ঞা নেই, অর্থাৎ জায়েয।
⚠️ অপছন্দনীয় (মাকরূহ) বলার মতামত (কিছু আলেম):
শালীনতার পরিপন্থী হতে পারে বলে কেউ কেউ মাকরূহ বলেছেন।
বিশেষ করে নজাসত মুখে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে কঠোরভাবে নিষেধ।
❌ স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ পরিস্থিতি:
স্ত্রীর হায়েজ (মাসিক) অবস্থায়।
কোনোভাবে নজাসত গ্রহণ হলে।
জোরজবরদস্তি বা ক্ষতি হলে।
সারকথা:
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে, পরিচ্ছন্নতা ও সী
এল এল বি (LL.B) ২য়
বর্ষের ফলাফল সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। আপনাকে
আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে ফলাফল দেখতে
হবে। ফলাফল দেখতে সাধারণত রোল নম্বর বা
রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং জন্ম তারিখ
প্রয়োজন হতে পারে।
যদি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরীক্ষা হয়ে থাকে, তাহলে
তাদের ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd) ফলাফল দেখতে পারেন।
যদি
অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে
হয়ে থাকে, তাহলে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে
গিয়ে ফলাফল দেখুন।
ফলাফল
দেখতে এই ধাপগুলো অনুসরণ
করুন:
১. বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে যান।
২. "ফলাফল" বা "Result" সেকশনে যান।
৩. "এল এল বি
২য় বর্ষ" বা "LL.B 2nd Year"
অপশনটি নির্বাচন করুন।
৪. আপনার রোল নম্বর বা
রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং জন্ম তারিখ
লিখুন।
৫. "ফলাফল দেখুন" বা "Get Result" বাটনে ক্লিক করুন।
যদি
ফলাফল দেখতে কোনো সমস্যা হয়,
তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেল্পলাইন বা সংশ্লিষ্ট বিভাগের
সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
জমি রেজিস্ট্রির সময় দলিলে যা বারবার চেক করবেন.....
সাধারণত একজন দলিল লেখক দিনে ৮/১০ টা বা কেউ কেউ আরো বেশি দলিল লেখে। ফলে তাদের দ্বারা দলিল লিখার সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল হয়ে যেতে পারে। আবার একজন সাব-রেজিস্ট্রার দৈনিক ৭০/৮০ টি দলিল রেজিস্ট্রি করেন। এতো সেবাগ্রহীতার চাপ থাকে যে প্রতিটি দলিল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা সম্ভব হয়না। জমির ক্রেতা হিসেবে আপনার দায়িত্ব হলো দলিলে সাক্ষর করার আগে দলিলটি নির্ভুলভাবে লেখা হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে নিম্নের বিষয়গুলো ভালোভাবে খেয়াল করা...... ১) জমির এসএ এবং আরএস দাগ অঙ্কে ও কথায় মিলিয়ে নেবেন। নকশার সাথে দাগ নম্বর মিলাবেন। দলিলের ১১ নম্বর কলামে খতিয়ান নম্বর ও হোল্ডিং নম্বর বারবার মিলান। ২) দাগের কোন দিকে আপনার ক্রয়কৃত জমির পজিশন সেটা দলিলের ১৫ নম্বর কলামে হাত নকশায় ভালোভাবে লক্ষ্য করবেন। ৩) মৌজার নাম, জেএল নম্বর এবং জমির পরিমাণ কথায় এবং অংকে লেখা ঠিক আছে কিনা তা দলিলের ২ নম্বর কলামে ভালোমতো খেয়াল করবেন। ৪) সম্পত্তির চৌহদ্দি সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কিনা তা ১২ নম্বর কলামে দেখে নিবেন। ৫) বিক্রেতার তার প্রাপ্য হিস্যার চেয়ে বেশি জমি দিচ্ছেন কিনা তা যাচাই করবেন। একাধিক ক্রেতা বা বিক্রিতা হলে কার কতটুকু অংশ তা নির্দিষ্ট করা আছে তা দলিলের ৮ ও ৯ নং কলামে ঠিকমতো লেখা আছ কিনা লক্ষ্য করবেন। ৬) দলিলে কোনো মামলার ডিক্রির তথ্য সংযোজন প্রয়োজন হলে দলিলের ৭ নম্বর কলামে বিজ্ঞ আদালতের নাম ও মামলা নম্বর নির্ভূলভাবে লিখেছে কিনা খেয়াল করবেন। এছাড়া জমির সর্বশেষ জরিপ হতে ২৫ বছরের মালিকানার ধারাবাহিক বিবরণ ঠিকমতো লেখা হয়েছে কিনা খেয়াল করবেন। মনে রাখবেন দলিলে মেজর ভুল হয়ে গেলে তা আদালত ছাড়া সংশোধন করা যায়না। একটা দলিলের মেজর ভুল ঠিক করতে বছরের পর বছর আদালত চত্বরে ঘুরতে হবে। তাই নির্ভুল দলিল পেতে রেজিষ্ট্রেশনের আগে উপরের বিষয়গুলো ভালোমতো খেয়াল করুন। সবাইকে ধন্যবাদ।জব বুক পাওয়ার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন। 👉👉👉👉👉👉 ভ্রাইভ লিংক জব বুক পিডিএফ 👈👈👈👈👈👈 আপনার মোবাইলে বা পিসিতে সহজেই এক্সেস পেতে স...